Skip to main content
ফের বাসি ও পচা মাংসের সন্ধান
দূর্গাপুরে শুরু হল হোটেল অভিযান।কলকাতায় ভাগাড় কান্ড দেখে উত্তাল রাজ্য।এবার দুর্গাপুর পুরসভা নড়েচড়ে বসলো।সোমবার দুর্গাপুরের বিধাননগর,সিটিসেন্টার ও চণ্ডীদাস বাজারের প্রায় ১৪ টি হোটেল ও রেঁস্তোরা তে অভিযান চালালো দুর্গাপুর পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য অমিতাভ বন্দোপাধ্যায়।তার সাথে এই অভিযানে ছিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান মৃগেন্দ্রনাথ পাল।

দুর্গাপুরের সিটিসেন্টারে বিভিন্ন হোটেলে ও রেস্তোরাঁ তে অভিযান চালিয়ে বাসি ও পচা মাংসের সন্ধান পায়।মোট ১৪ টি হোটেল ও রেস্তরাঁ র মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁয় বাসি ও পচা মাংস পায় পুরোকর্তারা।এই সমস্ত মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।মাংস ছাড়াও বাসি পচা মাছ ও বিভিন্ন রাসায়নিক রঙ মিশ্রিত মশালা র নুমনাও সংগ্রহ করা হয়।দুর্গাপুর এর অভিজাত সিটিসেন্টার ও বিধাননগর এলাকায় বহু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।এছাড়াও ইস্পাত নগরীতে চন্ডীদাস বাজারে অনেকগুলি রেস্তোরাঁ রয়েছে।এই সমস্ত রেস্তোরাঁ ও হোটেলগুলির বেশীরভাগ হোটেল থেকে যে মাংস এর নমুনা পাওয়া যায় তা কিসের মাংস তাও বুঝতে নিজের অক্ষমতা র কথা বলেন পুরসভার খাদ্যদপ্তরের এম আই আই অমিতাভ বন্দোপাধ্যায়।তিনি জানান ""মাংস ও বভিন্ন রাসায়নিক রঙ মিশ্রিত মশালার যে নমুনা সংগ্রহ করা হয় তা বর্ধমান এ খাদ্য দপ্তরে পাঠানো হবে।তার যে রিপোর্ট আসবে তার ভিত্তিতে সেইসব হোটেল ও রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।""কিন্তু সুত্রের খবর যে বর্ধমানেও এই খাবারের নমুনা পরীক্ষার কোনো পরিকাঠামো নেই।এই খাদ্যসামগ্রী ও রংমিশ্রিত মশালার নুমনা পরীক্ষার জন্য তা পাঠাতে হবে কলকাতায়।কিন্তু দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজার, স্টেশন বাজার এলাকায় হোটেলগুলিতে কেনো করা হোলো না এই অভিযান? উত্তরে অমিতাভ বাবু বলেন ""এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে এবার।বছরের বিভিন্ন সময় এই অভিযান আমরা চালাবো।
Comments
Post a Comment