শোভন বৈশাখীকে নিয়ে বিজেপি তৃণমূল রাজনীতির খেলায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা টিআরপি বাড়ল জয়ের





জয়ের কটু মন্তব্যে সিলমোহর দিলেন শোভন বৈশাখী জুটি।   বিজেপির অন্দরে জনপ্রিয়তা বাড়ল অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শোভন বৈশাখীর চালচলন নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিরোনামে এসেছিলেন জয়। সেদিন বিজেপির অনেকেই জয়ের পাশে ছিল না। বরং মজা দেখাতে কয়েকজন নেতা চেষ্টা চালিয়ে যান। উল্টে তৃণমূলের শতাধিক নেতৃত্ব জয়কে ব্যক্তিগত ভাবে জানান, শোভন বৈশাখী মামলা করলে সব ধরণের সাহায্য করবেন। ওই সময়, সামাজিক মাধ্যমের টিপ্পনী ছিল, এতদিন জানতাম শাড়ির সাথে ব্লাউজ পিস থাকে । এখন দেখছি শোভন দার শার্টের পিস পাওয়া যাচ্ছে।   ম্যাচিং রঙের পোশাক এতটা রসালো খোরাক হয়েছিল যে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে সমাজে। দূর্গা পুজো থেকে ভাই ফোঁটা গতবারের তুলনায় ম্যাচিং রঙের পোশাক কম বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা সহ রাজ্যের বেশকিছু নামী বস্ত্র বিপনী। 


ভাইফোটার দিন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোটা নিতে গিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছিলেন শােভন চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে  নানা জল্পনা তৈরি হলেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না রাজ্য বিজেপি। মঙ্গলবারের মতাে বুধবার সেটা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।  তবে ভোটার মহলে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির প্রভাব পড়েছে সব থেকে বেশি। আস্থা বিশ্বাস তলানিতে ঠেকেছে খোদ কর্মীদের। দুই দলের কর্মীদের সুর কার্যত এক। তাদের দাবি, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সাথে সম্পর্ক যখন ভালো তখন দিদির হাত ছাড়ার তো দরকার ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক রাজনীতি করতে এসে। রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই অথচ সামাজিক সম্পর্ক আছে। প্রকাশ্যে এরকম সম্পর্কের হাসি দেখা গেলে কর্মীদের কাজ করতে সমস্যা হয়। দল করতে এসে ফায়দা নেবে একদল। আর টিপ্পনী শুনবে নিচু তলা। ওই দিন শেষ।   

 এদিকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর দলকে না  জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোটা নিতে যাওয়া শোভনের কাছে কী চিঠি পাঠিয়ে। কৈফিয়ৎ তলব করা হবে? দিলীপ ঘােষ সাফ জানালেন, এরকম কোনও বিষয় নেই। শােভন চট্টোপাধ্যায় আমাদের দলের  সাধারণ কর্মী। উনি কোন পদাধিকারী নন, কেন গুরুত্ব দেবো। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি অস্পৃশ্যতার রাজনীতি করেনা। আমাদের দলের নেতা কর্মীদের বিরোধী দলের নেতা    নেত্ৰীদের আমন্ত্রণে কোনও  অনুষ্ঠানে যােগ দেওয়ায় বাধা নেই। দিদির সঙ্গে শোভন বাবুর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, তাই গিয়েছেন। আমরা এটা সামাজিক অনুষ্ঠান হিসেবে দেখছি।   শোভনের এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যে অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কী ঘরে ফিরছেন শোভন? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, ‘শােভন চট্টোপাধ্যায় অভিজ্ঞ রাজনৈতিক। ভবিষ্যতে আপনি কী করবেন উনিই ঠিক করবেন। এ নিয়ে কী বলব?


Comments