নদীয়া জেলার হাঁসখালিতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের পর মৃতদেহ সৎকারের ঘটনায় বুধবার বিকেল ৪টায় বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম (বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম)জেপি নাড্ডাকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা।
একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল নদীয়া জেলা পরিদর্শন করেছে, যেখানে একটি কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এক সপ্তাহ আগে, বিজেপি ঘটনার তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল গঠন করেছিল।
দলটি শুক্রবার গ্রামে গিয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। দলে রয়েছেন দলের সহ-সভাপতি রেখা ভার্মা, বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি বনথি শ্রীনিবাসন, খুশবু সুন্দর এবং বাংলার বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। নাবালিকা মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, ৪ এপ্রিল মেয়েটিকে গণধর্ষণ করা হয় , আর ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে দাহ করা হয় । এখানে টিএমসি নেতার ছেলে, ছেলেটির এক বন্ধুর এবং পরে আরও একজনকে গ্রেফতার করে সিবিআই।
এই বিষয়ে শুক্রবার নদিয়া জেলার হাঁসখালিতে নাবালিকা মেয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছে বিজেপি দল। দলটি রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনেরও সমালোচনা করে।
ভারতীয় জনতা পার্টি সূত্র জানায়, দলের সদস্যরা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর রেখা ভার্মা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাজ্যে নারীদের ওপর যে অত্যাচার হচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এতে প্রমাণিত হয় প্রশাসন নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ, এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টিকে ‘প্রেমজনিত ঘটনা’ বলে বর্ণনা করা নিয়েও বেশ হৈচৈ পড়ে যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে নাবালিকা গর্ভবতী ছিল।

Comments
Post a Comment