উপপ্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের

 


বর্ধমান জেলার খন্ডকোশে টিএমসি নেতা এবং পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির' অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা।


তাঁদের দাবী টিএমসি নেতা এবং পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের চার তলা বাড়ী থাকা সত্ত্বেও আবাসন প্রকল্পে উপপ্রধান জাহাঙ্গীর শেখের স্ত্রী সীমা শেখ, মৃত বাবা শেখ মহসিন, দুই ভাই আমাঙ্গীর শেখ ও আজমগীর শেখের নাম তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।


গত মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন, "যার চার তলা বাড়ি আছে, সে বাংলায় বাড়ি পেয়েছে, আর যার কিছুই নেই, তা নেই৷ এমনটা চলবে না৷"


এই বিরোধের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, “তদন্ত করা হচ্ছে।  এটি অবৈধ হলে তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলা হবে।"  যদিও খণ্ডঘোষের বিডিও সত্যজিৎ কুমার দাবি করেছেন, “সব নাম বাতিল করা হয়েছে।”


স্থানীয় বাসিন্দা রহমত তুল্লা বলেন, “আমাদের মাটির ঘর।  আমরা বঞ্চিত।  অনেক মাটির ঘর ভেঙ্গে গেছে।  তালিকায় তাদের নাম নেই।”  এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'আমি দলীয় কাজে ব্যস্ত আছি।  আমি অফিসে খুব একটা যাই না।  আমি জানি না কে লিস্ট করেছে।'


  পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি খান দাবি করেছেন যে এই 'অনিয়মের' সাথে তার কোনও সম্পর্ক নেই।  জাহাঙ্গীরের দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, 'আমাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি।  আমি সম্পূর্ণ অক্ষম।  জাহাঙ্গীর শেখ তার ইচ্ছানুযায়ী সবকিছু করছে।  এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।  পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়েছি।'




Comments