রিষড়ার হিংসা, বিধায়কের উপর হামলা এবং নিরপরাধ বিজেপি কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে অবস্থানের ঘোষণা করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে বিক্ষোভ করতে দেয়নি পুলিশ। সুকান্ত মজুমদারের তৈরি প্রতিবাদ মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ।
এইনিয়ে সুকান্ত মজুমদার পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পুলিশ পক্ষপাতমূলকভাবে কাজ করছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও সাংসদরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কিন্তু তাদের আহত সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করতেও দেওয়া হচ্ছে না।
তবে রিষড়ায় সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে কটাক্ষ করে বলেছেন, "রিষড়ায় রেলওয়ে স্টেশনের কাছে পাথর ছোড়া এবং গোলাগুলির কারণে হাওড়া-বর্ধমান লাইনে স্থানীয় এবং এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। আরপিএফ-এর পদক্ষেপের পরে ট্রেন পরিষেবাগুলি এখন আবার চালু করা হয়েছে। রিষড়া জ্বলছে আর পুরো রাজ্য প্রশাসন দিঘায় সমুদ্র সৈকত ছুটি উপভোগ করছে।"
এদিন সকালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সকাল থেকেই এলাকায় পুলিশকে টহল দিতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের উদ্বেগ এখনো কাটেনি। রাতে প্রায় তিন ঘণ্টা হাওড়া-বর্ধমান শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়তে হয় হাজার হাজার যাত্রীকে। যদিও এদিন সকাল থেকে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে চন্দন নগর পুলিশ, হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পাশাপাশি হাওড়া সিটি পুলিশকে ডাকা হয়েছে। এলাকায় ১৪৪ ধারা অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ওই এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে।
Comments
Post a Comment